Skip to main content

Posts

Showing posts from March, 2018

স্বীকৃতি

ফোনটা হাতে নিয়ে কন্ট্যাক্টলিস্টে শুধু একটা নামকে দেখেই সময় কাটে অমিতের। মানে যখন খুব একা লাগে, ও দেখেছে, নামটা দেখলেই ওর বেশ একটা ভাললাগতে শুরু করে। মাঝে মাঝে এরমটাও হয়েছে, নামটা দেখছে…আর ঐ নামটা থেকেই ফোন এসেছে। ফোনটা বেজে যায়…. হ্যাঁ, বেজে যায়, অমিত ফোনটা ধরে না …. চোখের সামনে বাজতে বাজতে ফোনটা থেমে যায়; অমিত বিধাতাকে ধন্যবাদ জানায়; ফোনটা আসে ….মাসে একবার, দুমাসে একবার, তিনমাসে একবার। আসে, বেজে যায়। কিন্তু আসবেই। সে এখনো মনে রাখে তাকে, ভোলে নি। অমিত জানে, ভুলবেও না। ************************************************ সবাই এসে গেছে, ঐ হতচ্ছাড়া গৌরবটার কোনও পাত্তা নেই। কি অসহ্য একটা রিংটোন রেখেছে … ফোন করলেই “ও টুনির মা” গানটা বাজে, উফ! বয়স যে বাড়ছে, তার কোনও বোধ আছে? ছেলে এদিকে উচ্চমাধ্যমিক দিতে চলল। ওকে ছাড়া ঠিক জমছেই না আড্ডাটা। কত চেষ্টার পর এই গেটটুগেদারটা অ্যারেন্জ করা গেছে, আর যে করল, তারই পাত্তা নেই। ডরথি আবার ফোন লাগাল গৌরবকে। রাত ন’টা, সবার পেটে অলরেডি দু পেগ পড়ে গেছে, এরপর তো সেই তাড়াহুড়ো লাগবে বাড়ি ফেরার জন্য। ডরথিকে বাড়ি পৌঁছে দেবার দায়িত্বটাও সেই নিয়েছে…. -কোথায় তুই...

ম্যাজিক

  গোল গোলচে আটখানা বল কক্ষপথে ঘোরে, মস্ত জ্বলন্ত বলটা আছে মাঝখানটা জুরে। সবার মধ্যে তিন নম্বর বলটা ভারি স্পেশাল, তিন ভাগ জল, এক ভাগ স্হল, সাবাশ ভবের খেয়াল। আগুনগোলার সাথে তার দুরত্বটাও খাসা, চমক! চারদিক ঘেরা বায়ুমন্ডলের বাসা। প্রাণধারণের উপকরণ মজুত রাখা আছে, অন্তহীন অক্সিজেন যোগায় সবুজ গাছে। অবাক করা ইন্জিনিয়ারিং ; জুরি মেলা ভার, এসব দেখে ভাবতে পারছ, কত সুখ তোমার! পাওয়া-না পাওয়ার হিসেবটা এবার শুরু করার আগে, এসব একবার ভেবে দেখো তো; গায়ে কাঁটা কি জাগে? আরো বলি, যতই পাত্তা না দাও, স্বীকার করতেই হবে, সব্বার উপর পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ রবে। নিঃশ্বাস নিতে পারছ, এবং তাইতো তুমি ধনী, এই আছে, এই প্রাণ চলে যায়, মুহুর্তের ছিনিমিনি। তাই চলো, এই ম্যাজিক গুলো মনে রেখে ভালো থাকি, কবিতা দিবসে সব্বার কাছে এই আর্জি রাখি।