Skip to main content

Posts

Showing posts with the label stress relief

কেন তোমরা আমায় ডাক ?

  ‘কেন আমার সাথেই এমন হল?’ ‘কেন আমার সাথেই এরকম হয়?’ ‘ও কেন আমায় চিট করল?’ ‘কেন ও আমায় এইসব বলল?’ ‘কেন সে এমন ব্যবহার করল?’ ‘আমার কেন কোনও শিক্ষা হয় না…..?’ কেন? কেন? কেন? মনবাজারের ব্যাগটা খুলে দেখুন তো – ক’কেজি ‘কেন’ কিনে রেখেছেন? যখনই আমরা ‘কেন’ সহযোগে কিছু কথা বলি বা ভাবি; আমাদের ‘মন-বাবু’টি টুপ করে অতীত সাগরে ডুব দিয়ে খুঁজে আনে সেইসব সমস্ত ঘটনা – যা দিয়ে আপনি নিজেকে বা অপরকে দোষারোপ করতে পারেন। এই ‘কেন’ প্রশ্নটি আপনাকে সমস্যার কারণ ‘আপনার মতন’ করে খুঁজে দেয়। অর্থাৎ, যখনই আপনি ‘কেন’ প্রশ্ন করেন, তখনই  যেটা হয়, আপনি ভাবতে শুরু করে দেন  “সমস্যার” point of view থেকে – “সমাধান” এর নয়। দেখা গেছে, সফল ব্যক্তিরা সমস্যা সমাধানের সময় একটা অদ্ভুত ট্রিক ব্যবহার করেন। তারা তাদের মনে আসা প্রশ্নের ‘কেন’ গুলোকে ‘কি’ তে বদলে নেন। মানে, কোনও সমস্যার মুখোমুখি হলে   তারা  নিজেদেরই জিজ্ঞেস করেন –  ‘আমি এখন কি করতে পারি?’ ‘আমার যা আছে, তা দিয়ে কি করা যায়?’ ‘এই ঘটনা থেকে আমি কি শিখলাম?’ আমি কি ভাবে এই ঘটনাকে আর repeat করতে না পারি?’ ইত্যাদি ইত্যাদি। এই ‘কি’ ওয়ালা প্রশ্নগুলো ...

২ মিনিটেই খতম

  -     “বড্ড চাপে আছি রে….” -     “আর বলিস না, অফিসে যা চাপ চলছে……” -       “একদম সময় পাই না… এত কাজের চাপ….” উত্তরগুলো অতি প্রচলিত। “চাপ-মুক্তি”র উপায় একটু গভীর অন্য একদিন নিশ্চয়ই জানাব; কিন্তু, আজ আপনাদের আমি এই চাপ কমানোর এক ভীষণ সহজ উপায় বলতে চলছি। উপকরনঃ ১) আপনার ইচ্ছা ও চেষ্টা ২) আপনার জীবনের মাত্র ২টো মিনিট পদ্ধতিঃ ক) বুক ভরে শ্বাস নিস। শ্বাস নেওয়ার সময় খেয়াল করুন আপনার শরীর বেলুনের মতন ফুলছে কি না।মনে মনে ১ থেকে ৪ গুনুন। খ) শ্বাস নেওয়ার সময় চেষ্টা করুন আপনার মনঃসংযোগ যেন আপনার দুই ভ্রূর মাঝে থাকে। (এইটাই চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু আমি জানি আপনি পেরে যাবেনই)। শ্বাস ধরে থাকুন, ১ থেকে ৫ গুনুন। গ) শ্বাস ছাড়ুন, ছাড়ার সময় মনঃসংযোগ নাভিতে নিয়ে আসুন (এটাও পেরে যাবেন ক্রমশঃ)। শরীর বেলুন চুপসে যাওয়ার মতন সঙ্কুচিত হবে। ১ থেকে ৬ গুনতে গুনতে শ্বাস ছাড়ুন আস্তে আস্তে।   এইভাবে মাত্র ২ মিনিট শ্বাস নিন- শ্বাস ছাড়ুন। যে কোনও জায়গায়, যে কোনও সময় যখনই আপনার নিজেকে ‘চাপে-চ্যাপ্টা’ মনে হবে; এই প্র্যাকটিস করতে পারেন।   আসলে, যে ব্যাপারটা হয়, এই রকম শ্বাস নেও...

এ ব্যথা কি যে ব্যথা

  আপনি কি জানেন আপনার স্ট্রেসের প্রধান কারণটা যা আপনার স্বাস্থ্যের উপর গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে অলরেডি? চলুন একটা পরীক্ষা করা যাক।  সামনে থাকা একটা খালি গ্লাস হাতে নিন। কি মনে হচ্ছে ? কত ওজন হবে গ্লাসটার?  আচ্ছা, এইবার গ্লাসটা রেখে দিন। ওজন কত, আমি কিন্তু গ্লাস না দেখেই বলে দিতে পারি। ম্যাজিক মনে হচ্ছে কি? আসলে, গ্লাসের ওজনটা ম্যাটার করে না; যেটা করে, সেটা হল আপনি কতক্ষন গ্লাসটা ধরে আছেন।  আপনি যদি গ্লাসটা এক বা দুই মিনিটের জন্য ধরে রাখেন, তবে এটাকে মোটামুটি হাল্কাই মনে হবে, কিন্তু যদি এক ঘণ্টা ধরে থাকেন… আস্তে আস্তে হাত ব্যাথা শুরু হবে। আর যদি বলা হয়, পুরো একদিন এই ফাঁকা গ্লাস ধরে থাকতে, তাহলে? ভাবতে পারছেন কি হবে? হাত প্রায় পক্ষাঘাতগ্রস্তর মতন অসাড় হয়ে যাবে, গ্লাস আপনেআপ হাত থেকে পরে যাবে।   ভাবছেন তো, স্ট্রেসের কথা বলতে গিয়ে কি সব হাবিজাবি বলে যাচ্ছি? দেখুন, যে পরীক্ষার কথা বলছিলাম, সেখানে প্রতিটা ক্ষেত্রে কিন্তু গ্লাসের ওজন একই ছিল, কিন্তু যত বেশি সময় ধরে রাখা হচ্ছিল, তত ভারি অনুভব করা যাচ্ছিল। তাই কি না? ঠিক একই রকম ভাবে আমাদের জীবনের স্ট্রেস মানে চাপ...

যাদু দাওয়াই

  বাজারে একটা নতুন যাদু ট্যাবলেট এসেছে- যেটা আপনার হ্যাপিনেস বাড়িয়ে দেবে – জানেন কি? আমি একটা নতুন ট্যাবলেটের খবর পেয়েছি যেটা আমাদের উদ্বেগ শুধু কমাবে তাই নয়, আমাদের মানসিক সুখ ও শান্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এছাড়া ওষুধটার যে যে সাইড এফেক্টগুলো রয়েছে, তা হল – এটা আপনার মধ্যে আত্মসম্মানবোধ, সহানুভূতি, আত্মবিশ্বাস ও স্মৃতিশক্তিও বাড়িয়ে দেবে।  কিন্তু একটাই মুশকিল।  ট্যাবলেটের দামটা বেশ বেশি প্রায় ৬০০ আর দিনে একবার অন্ততপক্ষে নেওয়া খুব জরুরি।  হ্যাঁ, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এই ওষুধটার জন্য দোকানদার আপনার থেকে মাত্র ৬০০ সেকেন্ড দাবী করেন। আপনি আপনার কাছে দোকানগুলোতেও এই ওষুধটির খবর নিতে পারেন।  এটি একটি ব্লকবাসটার ড্রাগ। আর নাম হল – “মেডিটেশান”। হা হা হা 600 seconds = 10 mins a day, that’s all . তাহলে, আপনি কি এটা কিনছেন ? জলদি সিদ্ধান্ত নিন। স্টক কিন্তু লিমিটেড। আমি বলে দিচ্ছি, আমি কিভাবে এটা নিই। আমি একটা শান্ত জায়গায় বসি, চোখ বন্ধ করে, নিজের দুটি ভ্রুর মাঝে মনঃসংযোগ ঘটানোর চেষ্টা করি। মনের ভাবনাগুলোকে আটকাই না। তারা নিজেদের মতন যাওয়াআসা করে। আমি শুধু জয়তিকে বলতে থাকি, আমা...