Skip to main content

২ মিনিটেই খতম

 


-    “বড্ড চাপে আছি রে….”

-    “আর বলিস না, অফিসে যা চাপ চলছে……”

-     “একদম সময় পাই না… এত কাজের চাপ….”

উত্তরগুলো অতি প্রচলিত।

“চাপ-মুক্তি”র উপায় একটু গভীর অন্য একদিন নিশ্চয়ই জানাব; কিন্তু, আজ আপনাদের আমি এই চাপ কমানোর এক ভীষণ সহজ উপায় বলতে চলছি।

উপকরনঃ

১) আপনার ইচ্ছা ও চেষ্টা

২) আপনার জীবনের মাত্র ২টো মিনিট

পদ্ধতিঃ

ক) বুক ভরে শ্বাস নিস। শ্বাস নেওয়ার সময় খেয়াল করুন আপনার শরীর বেলুনের মতন ফুলছে কি না।মনে মনে ১ থেকে ৪ গুনুন।

খ) শ্বাস নেওয়ার সময় চেষ্টা করুন আপনার মনঃসংযোগ যেন আপনার দুই ভ্রূর মাঝে থাকে। (এইটাই চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু আমি জানি আপনি পেরে যাবেনই)। শ্বাস ধরে থাকুন, ১ থেকে ৫ গুনুন।

গ) শ্বাস ছাড়ুন, ছাড়ার সময় মনঃসংযোগ নাভিতে নিয়ে আসুন (এটাও পেরে যাবেন ক্রমশঃ)। শরীর বেলুন চুপসে যাওয়ার মতন সঙ্কুচিত হবে। ১ থেকে ৬ গুনতে গুনতে শ্বাস ছাড়ুন আস্তে আস্তে।  

এইভাবে মাত্র ২ মিনিট শ্বাস নিন- শ্বাস ছাড়ুন।

যে কোনও জায়গায়, যে কোনও সময় যখনই আপনার নিজেকে ‘চাপে-চ্যাপ্টা’ মনে হবে; এই প্র্যাকটিস করতে পারেন।  

আসলে, যে ব্যাপারটা হয়, এই রকম শ্বাস নেওয়া-ছাড়ার সাথে সাথে মনঃসংযোগ   automatically  এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে থাকে, এবং এইটাই আপনাকে সাহায্য করে আপনার  restless mindকে calm করতে।   

আমাদের monkey mind সাধারণতঃ এত সহজ পদ্ধতি বিশ্বাস করতে চায় না। But remember my friend, simple is powerful.

আমাকে একদম বিশ্বাস করবেন না। এরপর যখনই আপনি চাপে পরবেন, একবার প্র্যাকটিসটা করে দেখবেন।

সবটাই নির্ভর করছে আপনার “চাওয়ার” উপর।  

কারণ, চাইলেই হবে; তাই তো চাইতে হবে।

Comments

Popular posts from this blog

‘হো’ওপনোপনো’

কথায় আছে লেটস ফরগিভ অ্যান্ড ফরগেট। আচ্ছা, সত্যি করে বলুন তো? ক্ষমা কি করা যায়, যদিও বা যায়... সেটা কি ভোলা সম্ভব? বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সময় একটা বড় ভুমিকা নেয়, দিন যেতে যেতে ঘটনার অনুভুতির তীক্ষতা কমতে থাকে, আমরা মনে করি ‘ভুলে গেছি’; কিন্তু দেখা যায়, সামান্য অনুরূপ কিছু হলে বা মনে পড়লেই দগদগে ভাব নির্লজ্জের মতন বেরিয়ে পরে।  হ্যাঁ, আমিও বলছি, ভালো থাকতে গেলে এই –“ফরগিভ অ্যান্ড ফরগেট” যাদুর মতন কাজ করে। একটা সত্যি ঘটনা বলি আজকে, আমার জীবনের। আমার বাড়ির পাশেই একটা কোচিং সেন্টারে আমার ছেলে পড়ত। ঘটনাক্রমে, সেন্টারহেডের ছেলেও আমার ছেলেরই ক্লাসের বন্ধু। প্রচলিত আছে, সেই সেন্টারহেড (নাম ধরে নিই ‘ক’বাবু) ভালো ছাত্রছাত্রী ছাড়া সেই সেন্টারে পড়ান না। তাই, আমার ছেলে যখন ক্লাস সেভেন (ছেলে আমার বরাবরই ৬০% পাওয়া – ছোটবেলায় লারনিং ডিসঅর্ডার ছিল) তখন তিনি তাকে যোগ্য মনে করেন নি সেই সেন্টারের। ক্লাস নাইনের সময়, আমি দেখলাম, ওর ক্লাসের অনেকজন ওই সেন্টারেই পড়ে আর বাড়ির পাশে বলে, আমারও সুবিধে হবে, অনেকগুলো পথ খরচ বেঁচে যাবে... এইসব ভেবে আবার গেলাম ‘ক’ বাবুর কাছে, অনুরোধ করলাম আমার ছেলেকে ভর্তির জন্য; বদলে ...

শিক্ষা

  একবার হয়েছে কি, ভীষণ উত্তেজনাবশতঃ বেশ কড়া দামে টিকিট কেটে দেখতে গিয়েছিলাম একটা সিনেমার ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো। তারপর…. একঘণ্টা যেতে না যেতেই প্রান হাঁসফাঁস, হাত কামড়ানো। মনে যুদ্ধ চলছে – ‘এত খাজা ছবি কি করে হতে পারে’র সাথে ‘ঈশ, কত খরচ হয়ে গেল’র। ভাবতে ভাবতে, পকেট আরও খসিয়ে পপকর্ণ আর কোল্ড্রিঙ্কও খাওয়া হয়ে গেল। হল থেকে বেড়িয়ে কান মুলেছিলাম, এমন বোকামি আর হবে না, শপথ টপথও নিয়েছিলাম খানিক। বলুন তো, আসল বোকামিটা কোনটা ছিল? দামী টিকিট কেটে বাজে সিনেমা দেখা না কি সিনেমাটা বাজে বুঝেও, বেশি খরচ হয়ে গেছে এই ভেবে, হলে বসে নিজের সময় বরবাদ করে পুরো সিনেমাটা হজম করা? নিজেদের জীবনের দিকে একবার ভালো করে তাকাই তো; আমাদের সম্পর্কগুলোও অনেকটা এইরকম নয় কি? কাজ করছে না জেনেও, লেগে থাকি, সম্পর্কের ভার বয়ে চলি অনেক ইনভেস্টমেন্ট হয়ে গেছে, লোকে কি বলবে… এইসব ভেবে। কিন্তু আস্তে আস্তে যে সবচেয়ে দামী ইনভেস্টমেন্টটা পাঁকে চলে যাচ্ছে…মানে “সময়”…যেটা আর ফিরে আসবে না, তার কথা ভাবা হয়ে ওঠে না।   কিছুই কিন্তু অপূরণীয় নয়। আপনি না থাকলে, বা আমি না থাকলে সব কি থমকে যাবে? কিছুদিন আগে ইন্সটাগ্রামে একটা পোস্ট দেখে...

নিশিদিন আলোক শিখা জ্বলুক প্রাণে

  জীবনের সবকিছু আমাদের শেখায়। যাদের সাথে দেখা হয়, যাদের সাথে থাকা হয়, যাদের কথা ভাবা হয়, যা যা ঘটে  … সবার থেকে কিছু না কিছু শিখতে পারা যায়। বা, বলা ভালো- শিখতে পারতে হয়, শিখতে জানতে হয়। কারণ, শিখতে পারলে এইসবই আমাদের কাছে “অভিজ্ঞতা” যা জীবন চলতে সাহায্য করে। নতুবা, এগুলোই আমাদের যাবতীয় অ-সুখের কারণ।    তাই, আমাদের প্রতিটা মুহূর্তের ঘটে যাওয়া, ঘটতে থাকা ঘটনাগুলো, ঘটনার কুশীলব সকলেই আমাদের শিক্ষক।   এইসব শিক্ষকদের অবহেলা করবেন না। যখন আপনি মনের মতন চাকরি পাচ্ছেন না, বা যখন কোনও সম্পর্ক প্রশ্নচিহ্নের সামনে, অথবা যখন আপনার বিরুদ্ধে সব ঘটছে, আপনি সমস্যার সম্মুখীন, সেই মুহূর্তে এই শেখার পাঠ আরও বেশি করে মনে করুন। কবি তো বলেই গেছেন কতভাবে – “আরও বেদনা, আরও বেদনা, প্রভু দাও মোরে আরও চেতনা”… “চির পিপাসিত বাসনা-বেদনা, বাঁচাও তাহারে মারিয়া…” “আমি বহু বাসনাই প্রাণপণে চাই, বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে”….. গানগুলো শোনা হয়, গাওয়া হয়, কিন্তু অর্থটাই বোধগম্য হতে পারে না। সমস্যার সময়ে নিজের জীবনের শিক্ষাগুলোকে মনে করে ফেলতে পারলেই কিন্তু সেই পরীক্ষাটা সহজে পাশ করা হয়ে যাবে। যে সব অবস...