Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Corona Virus

হাল্লা চলেছে যুদ্ধে!!

  শুন্ডির রাজা আজও অচেতন, হাল্লা চলেছে যুদ্ধে, আর আমরা ঘুমাই প্রতিক্রিয়ায়; স্বপক্ষে - বিরুদ্ধে। সকাল থেকে উঠে সারাদিন, তারপর সারারাত... কে কি ভাবছে, বলছে -করছে ভেবে যাই সাতপাঁচ। পুঁজি জমছে ব্যাঙ্কে আর সুগার-প্রেসার ঘরে; লাগামহীন অ্যাড্রিনালীন সর্বত্র ছিটকে পরে। মনখুলে আজ হাসতে গেলে ভরসা লাফিং ক্লাব, নিজেকে হারিয়ে ফেলার খেলায় মেতেছি আমরা সব। গুপী গাইন – বাঘা বাইন সিনেমা দেখে নি, এমন কেউ আছে কি? সিনেমার একটা গানের লাইন ‘হেডিং’ দিলাম লেখায় আর, শুরু করার সময় অনুরোধ রাখছি, আরেকটা গান মনে করার... “এক যে ছিল রাজা, তার ভারি দুখ”। এই গানটায় তিনটে প্রশ্ন করা হয়েছে– দুঃখ কীসে হয়, দুঃখ যাবে কি আর দুঃখ কীসে যায়। এবং উত্তরও দেওয়া হয়েছে (গানটা মনে করুন, নতুবা শুনে ফেলুন আরেকবার)। তো, আমি কেনই বা আজ এই কাজ করাচ্ছি আপনাদের দিয়ে, জানতে চাইবেন নিশ্চয়ই।   আরেকটা সিনেমার প্রসঙ্গ টেনে মুল কথায় আসার চেষ্টা করছি। কয়েকবছর আগে আমির খানের একটা ছবি এসেছিল, অ্যাডাল্ট ফিল্ম – ‘তারে জমীন পর’, হয়তো দেখে থাকবেন। অ্যাডাল্ট বললাম, কারণ, আমি সর্বতঃ ভাবে বিশ্বাস করি, সিনেমাটির মাধ্যমে যে ম্য...

পরিবার

টুপাই একদম ফ্যামিলি গেট-টুগেদার পছন্দই করে না, বড় পরিবার – একসাথে সবার সাথে থাকা তার ভীষণ অপছন্দের। নিজের বাড়ির ছোট পরিসর, বাবা-মা-বোনের সাথে ও অনেক কমফোর্টেবল। বন্ধুদের সাথে হইচইতে কোনও আপত্তি নেই। বাবা-মা র অফিস পিকনিকও ভালো লাগে। কিন্তু ওই – আত্মীয়স্বজনের সাথে থাকাতেই তার ভীষণ বিরোধ। মনিকা – অনিরুদ্ধ নিজেদেরই দোষ দেয় ছেলের এই আচরণের জন্য। বয়ঃসন্ধির সময়, গলার আওয়াজ বেড়েছে, মেজাজ বেড়েছে – ছেলেকে সামলে চলতে হয়। সামনের সপ্তাহে জ্যাঠতুতো দিদির বিয়ে; মা-বাবা অনেক করে বলেছে যেতে। একদম ইচ্ছে নেই টুপাইএর। দিন যত এগিয়ে আসছে, তত ফন্দি কষছে, কি ভাবে না যাওয়া যায়। ইন্টার-স্কুল ম্যাচটাই এখন বড় ভরসা।   সবাই যখন প্যাকিং করছে বিয়েবাড়ি যাবার জন্য, মায়ের কাছে গিয়ে সে বলে, এই রবিবারে বড় ফুটবল ম্যাচ আছে, ওর পক্ষে যাওয়া অসম্ভব। অলরেডি মিডফিল্ডার হিসেবে বেশ নাম করে গেছে টুপাই; মনিকা আর অনিরুদ্ধ আলোচনায় বসে; ছেলে মুখ গোমড়া হয়ে থাকলে, সারা বিয়েবাড়ি তাদের অনেক সমালোচনার মুখোমুখি হতে হবে আবার টুপাইকে একা রেখেও তারা কখনো কোথাও যায় নি।এছাড়া, ফুটবল ম্যাচেও টুপাইকে থাকতেই হবে। সব ভেবে, তারা ঠ...

বেলুন

একবার, একদিন এক স্কুলের দিদিমণি ক্লাসের সব ছানাদের জন্য বেলুন নিয়ে এলেন। বলা হল , সবাই নিজেদের বেলুনে নিজের নাম লেখ। সবাই লিখল। তারপর বলা হল – বেলুনগুলোকে স্কুলের করিডোরে রাখতে। গাদা গাদা রঙ্গিন বেলুনে করিডোর ভরে গেল। দিদিমনি এইবার বললেন, ৫ মিনিটের মধ্যে এই বেলুনের মধ্যে থেকে নিজের নাম লেখা বেলুন খুঁজে আনতে। সবার মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে গেল, অনেক বেলুন ফেটে গেল; দেখা গেল, বেশির ভাগই নিজের নাম লেখা বেলুন খুঁজে পায় নি। আবার আগেরবারের মতন দিদিমণি সবাইকে বেলুন দিলেন, তাতে নিজেদের নাম লিখতে বললেন, তারপর করিডোরে রাখতে বললেন। এরপর তিনি যা বললেন, সেটা আগের বার বলেন নি। এইবার তিনি বললেন, যে সামনে যার নাম লেখা বেলুন পাবে, সে যেন তাকে দিয়ে দেয়। অদ্ভুত একটা কাণ্ড হল, দেখা গেল, সকলেই নিজেদের নাম লেখা বেলুন পেয়ে গেছে – এবং খুব তাড়াতাড়ি। এবার সেই দিদিমণি সব ছানাদের বললেন, আমাদের ভালো থাকাটা হল অনেকটা এই বেলুনগুলোর মতন। আমরা যদি নিজেদের ভালোটাই শুধু দেখি, তাহলে কিন্তু কেউই ভালো থাকতে পারব না; কিন্তু, আমরা যদি একে অপরকে ভালো রাখার চেষ্টা করি, তাহলেই আমরা সব্বাই ভালো থাকব।     এই...