Skip to main content

Posts

Showing posts from June, 2020

ভালো - বাসা

মেজাজটাই যে আসল রাজা

ডিপ্রেশনের বাংলা নাকি নিম্নচাপ ? বৃষ্টি এল। সঙ্গে কফি এক-দু’কাপ নামছে বিকেল, অল্প ভিজে রাস্তাঘাট ছাতার নীচে মিইয়ে গেল পাপড়ি চাট বন্ধুরা সব ফিরছে বাড়ি দূর থেকে . . . কেন যে আজ হিংসে হল তাই দেখে, দেখতে গিয়ে সন্ধে হল জানলাতেই আগের মতো মেঘ করেছে . .  কান্না নেই কেবল মুঠোয় বন্দী কফির একলা কাপ ডিপ্রেশনের বাংলা জানি- মনখারাপ। শ্রীজাতর বিখ্যাত কবিতা – ডিপ্রেশান নিয়ে। তবে,সত্যি বলতে কি ডিপ্রেশান মানে কিন্তু মন খারাপ নয় – এটা একটা অসুখ, মানসিক অসুখ। আমাদের ছোটবেলা থেকে শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য অনেক রকমের যত্ন নেওয়া হয়, শেখানোও হয়; কিন্তু মনের স্বাস্থ্যটা উহ্যই থেকে যায়। দাম পায় না। মন খারাপ হলে, সেভাবে শেয়ার করার জায়গাই পাওয়া যায় না। জাজমেন্ট শোনার ভয়ে নিজের মনের কথা নিজের মনেই থেকে যায়। সবার সাথে একসাথে থেকেও নিজেকে একা মনে হয়। চিকিৎসা শাস্ত্রে, ডিপ্রেশানকে মুড ডিসঅর্ডারের(মেজর ডিপ্রেশান থেকে ডিস্থাইমিয়া) লিস্টে স্থান দেওয়া হয়েছে। তো, এই মুড বা মেজাজটাই যে আসল রাজা সেটা আমরা সবাই জানলেও ক’জন মানি? মেজাজ খারাপ হলে, কি ভাবে ঠিক করা হয়? ঠিক করার ইচ্ছে কি হয়? ঠিক করা...

আপোষে পাপোশ ??

শুনছেন? আপনি কি – ১) একদম ‘না’ বলতে পারেন না?মানে, যেসব ক্ষেত্রে ‘না’ বলাটা জরুরি, সে সব ক্ষেত্রে – বলতে পারেন না? ঠোঁটে এসেও আটকে যায় – হ্যাঁ বলতে হয়? ২) আপনার সরল প্রকৃতি কি সবাই নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে? মানে, আপনি নিজে বুঝতে পারেন যে আপনাকে ইউস করা হচ্ছে? ৩) যাই কাজ করুন না কেন, কখনো প্রশংসিত হন না? ৪) সকলের কাজে আসলেও, আপনার প্রয়োজনে কাউকে কাছে পান না? ৫) সংসারে সকলের জন্য একরকম নিয়ম কানুন আর আপনার জন্য আরেকরকম? ৬) আপনার নিজের মনের কথা বলার মতন, শোনার মতন কেউ নেই অথচ সকলের বিভিন্ন সমস্যায় আপনাকেই এগিয়ে যেতে হয়।    যদি এরকম কিছু হয়ে থাকে আপনার সাথে, তাহলে ভেরি সরি, আমাকে বলতে হচ্ছে; জীবনে আপোষ করতে গিয়ে আপনি নিজেকে পাপোশ তৈরি করে ফেলেছেন। হ্যাঁ, এটা সত্যি; ছোটবেলা থেকে আমাদের শেখানো হয়, সংসারে মানিয়ে চলতে। কিন্তু কখনও শেখানো হয় না যে – এই মানিয়ে চলা যখন কোণঠাসা করে দেয়, তার থেকে বেরোনো যায় কি ভাবে। যদি মনে করেন, এই বদ্ধ দশা থেকে বেরবেন, এখনও সময় আছে, উপায় আছে। শুধু দরকার দৃঢ় মানসিকতা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির। এই দুটোই আসবে যখন আপনি শুরু করবেন নিজেকে ভালবা...

অতীত!! দূর হটো !!!

আমাদের অতীতে এমন অনেক কিছু আছে, যেগুলো আমাদের এক্কেবারে না পসন্দ; কিন্তু দেখা যায়, সবসময় সেইগুলোই আমাদের মস্তিষ্কে প্রজাপতি সেজে ডানা মেলে উড়ে বেড়ায় আর আমরা হয়ে পরি বিব্রত, আতঙ্কিত, শঙ্কিত, উত্তেজিত...আরও কত কি! তাই না? আচ্ছা দেখুন, যা হবার তা তো হয়েই গেছে; তাই তো সেগুলো আমার অতীত। আমার বর্তমান তো নয়!তাই, এই সব ‘দুষ্টু অতীত’কে বাদ দিয়ে দিতে পারলে, আমরা অনেক হাল্কা হতে পারব, শান্ত হতে পারব, ভালো থাকতে পারব। ঠিক তো? এইবার, কিছু বিশেষ ধরণের অভ্যাস, যেগুলো বলতে চলেছি, সেইগুলো নিয়মিত করলে কিন্তু আমরা আস্তে আস্তে উপলব্ধি করতে পারব যে, অতীত আমাদের শুধুমাত্র শেখায়, শিক্ষা দেয়, যার নাম ‘অভিজ্ঞতা’; আর এই ‘শিখে নেওয়া’ যখন যাবতীয় জমে থাকা ‘অনুশোচনা’ কে প্রতিস্থাপন করে, ঠিক তখনই আমরা নিজেদের সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে, স্বপ্ন পূরণের দিকে এগিয়ে যাই।         ১. নিজের ভালো থাকার রিমোটটা নিজের কাছেই রাখতে হবে। কে, কবে কি বলেছিল, কি করেছিল – সবটাই ‘হয়ে গেছে’। সেই কথা আর ভেবে কাজ কি? মোদ্দা কথা, অন্য কাউকেই আমার জীবনের গল্পে মুখ্য ভুমিকা নিতে দেওয়া যাবে না। যা গেছে তা যাক। আবার হোক ন...