জীবনের
সবকিছু আমাদের শেখায়।
যাদের
সাথে দেখা হয়, যাদের সাথে থাকা হয়, যাদের কথা ভাবা হয়, যা যা ঘটে … সবার থেকে কিছু না কিছু শিখতে পারা যায়। বা, বলা
ভালো- শিখতে পারতে হয়, শিখতে জানতে হয়।
কারণ,
শিখতে পারলে এইসবই আমাদের কাছে “অভিজ্ঞতা” যা জীবন চলতে সাহায্য করে। নতুবা, এগুলোই
আমাদের যাবতীয় অ-সুখের কারণ।
তাই,
আমাদের প্রতিটা মুহূর্তের ঘটে যাওয়া, ঘটতে থাকা ঘটনাগুলো, ঘটনার কুশীলব সকলেই আমাদের
শিক্ষক।
এইসব
শিক্ষকদের অবহেলা করবেন না।
যখন
আপনি মনের মতন চাকরি পাচ্ছেন না, বা যখন কোনও সম্পর্ক প্রশ্নচিহ্নের সামনে, অথবা যখন
আপনার বিরুদ্ধে সব ঘটছে, আপনি সমস্যার সম্মুখীন, সেই মুহূর্তে এই শেখার পাঠ আরও বেশি
করে মনে করুন।
কবি
তো বলেই গেছেন কতভাবে –
“আরও
বেদনা, আরও বেদনা, প্রভু দাও মোরে আরও চেতনা”…
“চির
পিপাসিত বাসনা-বেদনা, বাঁচাও তাহারে মারিয়া…”
“আমি
বহু বাসনাই প্রাণপণে চাই, বঞ্চিত করে বাঁচালে মোরে”…..
গানগুলো
শোনা হয়, গাওয়া হয়, কিন্তু অর্থটাই বোধগম্য হতে পারে না।
সমস্যার
সময়ে নিজের জীবনের শিক্ষাগুলোকে মনে করে ফেলতে পারলেই কিন্তু সেই পরীক্ষাটা সহজে পাশ
করা হয়ে যাবে।
যে
সব অবস্থা আমাদের বিচলিত করে তোলে, যদি একটু ভেবে দেখি, বোঝা যাবে, আসল যুদ্ধ চলছে
নিজ-মগজে।এজন্যই মগজ ধোলাই ভারি আবশ্যক। একটু অন্যভাবে ভাবতে শুরু করা, একটু আলাদা চোখে জীবনকে যাচাই করা
এক “নতুন শুরু” র সুচনা করাবে। “আঁধারের দৃষ্টি হতে ঘুচবে কালো, যেখানে পরবে সেথা দেখবে
আলো”।
কবি
কিন্তু জানিয়ে গেছেন –
“দুঃখ
তাপে ব্যাথিত চিতে নাই বা দিলে স্বান্ত্বনা; দুঃখে যেন করিতে পারি জয়”।
পারা
যায়, নিজের উপর ভরসা রাখলেই পারা যায়, একটু সচেতন হলেই পারা যায়। চাইলেই পারা যায়।
তাই
তো, চাইলেই হবে, তাই চাইতে হবে।

Comments
Post a Comment