গোল গোলচে আটখানা বল কক্ষপথে ঘোরে,
মস্ত জ্বলন্ত বলটা আছে মাঝখানটা জুরে।
সবার মধ্যে তিন নম্বর বলটা ভারি স্পেশাল,
তিন ভাগ জল, এক ভাগ স্হল, সাবাশ ভবের খেয়াল।
আগুনগোলার সাথে তার দুরত্বটাও খাসা,
চমক! চারদিক ঘেরা বায়ুমন্ডলের বাসা।
প্রাণধারণের উপকরণ মজুত রাখা আছে,
অন্তহীন অক্সিজেন যোগায় সবুজ গাছে।
অবাক করা ইন্জিনিয়ারিং ; জুরি মেলা ভার,
এসব দেখে ভাবতে পারছ, কত সুখ তোমার!
পাওয়া-না পাওয়ার হিসেবটা এবার শুরু করার আগে,
এসব একবার ভেবে দেখো তো; গায়ে কাঁটা কি জাগে?
আরো বলি, যতই পাত্তা না দাও, স্বীকার করতেই হবে,
সব্বার উপর পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ রবে।
নিঃশ্বাস নিতে পারছ, এবং তাইতো তুমি ধনী,
এই আছে, এই প্রাণ চলে যায়, মুহুর্তের ছিনিমিনি।
তাই চলো, এই ম্যাজিক গুলো মনে রেখে ভালো থাকি,
কবিতা দিবসে সব্বার কাছে এই আর্জি রাখি।

Comments
Post a Comment