২৮শে এপ্রিল, ২০১২, সকাল 5.45 নাগাদ ফোন টা এল রুবি থেকে ..... 4টে নাগাদ বাবা কে ভেন্টিলেটর এ রাখা হয়েছে due to massive cardiac arrest and multiple organ failure. ট্যাক্সি তে যেতে যেতে ঝিরঝির বৃষ্টি পড়ছিল- মা বলল, "ক'দিন ধরে বড্ড গরম ছিল, তোর বাবা সব ঠান্ডা করে দিয়ে চলে গেল।"
বাবা চলে গেল, আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু চলে গেল।
বাবার সাথে কথা বলছিলাম না 15 তারিখ থেকে... আগের দিন, পয়লা বৈশাখ, খুব রাগারাগি হয়েছিল..... এখন ভীষণ আফশোষ হয়, মনের কষ্ট তো শরীরে পড়ে.... কথা বললে যদি আর কিছুদিন থাকতো.... যদি বাবা কে 27 তারিখ রুবি তে না নিয়ে যাওয়া হত,
যদি .....
আফশোষ সত্যি, বড্ড কষ্টের।
এখন বাড়ীটা বেশ শান্ত, রাগারাগি কম, দেরীতে বাড়ী ফিরলেও কেউ বকে না।
বাবা আছে আমাদের সাথে, এই ফাঁকা লাগাগুলোতে, বাড়ীর বইগুলোতে, হইচই তে (গল্প করতে, খাওয়াতে ভারী ভালোবাসত লোকটা), আমাদের মধ্যে......
কী সাংঘাতিক fan following ছিল মানুষটার!! বাবার কাছের মানুষদের ভেতরে ও খুঁজে পাই বাবা কে।
যত বয়স বাড়ছে, বুঝতে পারছি, আমি খুব বেশীরকম বাবার মতন।
আর হ্যাঁ, আর কারোর সাথে এখন আর কথা বন্ধ করে থাকি না..... রাগ করাও কমে গেছে।
বাবা চলে গিয়ে বদলে দিয়েছে আমায়।

Comments
Post a Comment