জানেন
কি, আমাদের প্রত্যেকের ভেতরে একটা প্রহরী লুকিয়ে আছে আর সারাক্ষণ ধরে সে আমাদের প্রতিটা
কাজকম্মের উপর নজরদারি করতে থাকে?
এই
প্রহরী তিলেতিলে বেড়ে উঠেছে আপনারই চারপাশের মানুষজন, পরিবার, বন্ধুবান্ধব, সহকর্মী
এবং আপনার ‘সমাজ’এর মাধ্যমে। আপনার প্রতিটা পদক্ষেপের উপর এর প্রবল আধিপত্য।
আর
যখন আপনি নিজে এই প্রহরীর উপস্থিতি সম্যকভাবে অনুভব করে ফেলেছেন, তখন আপনার প্রতিটা
পদক্ষেপ আপনাকে মনে করাবে এই প্রহরীর জন্য সেটি যোগ্য না অযোগ্য। একটু ভেবে দেখবেন,
এই যে চিন্তাগুলো আসে, সেগুলো বেশির ভাগই আপনার জন্য সত্য নয়, অন্যদের মতামত মাত্র।
মনের
সবকথা মনে খুলে বলতে পারা যায় কি? শেষ কবে নিজের সত্যিটা সহজভাবে প্রকাশ করতে পেরেছেন?
শুধু
মনে রাখবেন, একজন প্রহরী শুধু পাহারাই দিতে পারে, রাজা হয়ে উঠতে পারে না। আপনাকে নিয়ন্ত্রন
করার ক্ষমতা কিন্তু তার নেই (যদি না সে ক্ষমতা আপনি তাকে দিয়ে থাকেন) আর আপনি নিজেকে
বদলাতে চাইলে, সে কিছুই করতে পারবে না।
আপনার
জীবনের এরোপ্লেনে আপনি নিজে প্যাসেঞ্জার না পাইলট – বুঝতে পারেন কি?
মানে,
আমি বলতে চাইছি, ধরুন, আপনি যদি ওজন কমাতে চান, বা বেশি রোজগার করতে চান বা কোনোকিছু
বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে চান বা শিখতে চান, সেটাই করুন না। নিজের উদ্দেশ্যে অটল থাকুন,
নিজের সাথে কথা বলুন বারবার, নিজে সিদ্ধান্ত নিন এবং নিজের সিদ্ধান্তকে সম্মান করুন।
সত্যি
কথা- যা আপনার জন্য সঠিক – বলে ফেলুন। দেখবেন ক্রমশঃ সেই প্রহরী শক্তিহীন হয়ে পরছে।
Don’t
censor yourself. Speak the truth – your truth – always.
অনুরোধ
করব, আমায় বিশ্বাস করবেন না, একবার, যদি চান, পরখ করে দেখুন।
কারণ।
আমি জানি, চাইলেই হবে, তাই চাইতে হবে।

Comments
Post a Comment